মালয়েশিয়ায় ধোঁয়াশাজনিত জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার

বোর্নিও দ্বীপের সারাওয়াক রাজ্যে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ধোঁয়াশাজনিত জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করেছে মালয়েশিয়া। প্রতিবেশী ইন্দোনেশিয়ায় বনাঞ্চলে আগুনের কারণে সেখানে বায়ুদূষণের মাত্রা এখনো খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মালয়েশিয়ার বিভিন্ন এলাকা বিষাক্ত ধোঁয়াশায় ঢেকে গেছে
মালয়েশিয়ার বিভিন্ন এলাকা বিষাক্ত ধোঁয়াশায় ঢেকে গেছে |সংগৃহীত

বোর্নিও দ্বীপের সারাওয়াক রাজ্যে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ধোঁয়াশাজনিত জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করেছে মালয়েশিয়া।

প্রতিবেশী ইন্দোনেশিয়ায় বনাঞ্চলে আগুনের কারণে সেখানে বায়ুদূষণের মাত্রা এখনো খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটি।

শুক্রবার সারাওয়াকের রাজধানী কুচিং থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সেরিয়ানে বায়ুদূষণের মাত্রা সঙ্কটজনক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর রাজকীয় অনুমোদন নিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছিল কুয়ালালামপুর।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সোমবার জানায়, রাজা সুলতান ইব্রাহিম ‘আজ জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের ঘোষণা অনুমোদন করেছেন’।

এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সারাওয়াকের ধোঁয়াশা পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। কয়েকটি এলাকায় বায়ুদূষণ সূচক (এপিআই) এখনো খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।’

শুক্রবার সেরিয়ানে এপিআই ৫০০-এর সঙ্কটসীমা ছাড়িয়ে যায়। ঘন ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন শহরটির এপিআই সর্বোচ্চ ৫১৯-এ পৌঁছেছিল।

মালয়েশিয়ার নির্দেশনা অনুযায়ী, বাযুদূষণ সূচকের মাত্রা (এপিআই) ৩০০-এর বেশি হলে তা বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ৫০০-এর বেশি হলে স্থানীয়ভাবে জরুরি অবস্থা জারির সীমা অতিক্রম করে।

শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে সেরিয়ানে বৃষ্টি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘবীজ পদ্ধতির মাধ্যমে এই বৃষ্টি ঘটানো হয়েছিল। এতে কিছুটা স্বস্তি মেলে।

সারাওয়াকের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ বোর্ড জানায়, সোমবার এপিআই কমে ২০০-এর নিচের দিকে নেমে এসেছে।

ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন এলাকা কয়েক সপ্তাহ ধরে বিষাক্ত ধোঁয়াশায় ঢাকা রয়েছে। বোর্নিও ও সুমাত্রার বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে ইন্দোনেশিয়া হিমশিম খাচ্ছে। এসব আগুনের ধোঁয়া প্রতিবেশী মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ব্রুনেইয়েও ছড়িয়ে পড়ছে।

সূত্র : বাসস