ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়ায় মুদ্রানীতি কঠোর করল সিঙ্গাপুর

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা ও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সিঙ্গাপুর সোমবার (২৭ জুলাই) তিন মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো মুদ্রানীতি কঠোর করেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা ও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সিঙ্গাপুর সোমবার (২৭ জুলাই) তিন মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো মুদ্রানীতি কঠোর করেছে।

সিঙ্গাপুরের মুদ্রা কর্তৃপক্ষ (এমএএস) জানিয়েছে, তারা বাণিজ্য-ভিত্তিক মূল্যায়নে স্থানীয় ডলারের মান বৃদ্ধির হার বাড়াবে।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে তেলের দাম এখনো উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী হামলার পর তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করছে।

সিঙ্গাপুর তার প্রয়োজনীয় বেশিভাগ পণ্য আমদানি করে থাকে। ফলে বিশ্ববাজারে খাদ্য ও জ্বালানির দাম বাড়লে সরাসরি দেশটির জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যায়।

অন্যান্য অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো সুদের হার নির্ধারণের মাধ্যমে নয়, বরং প্রধান বাণিজ্য অংশীদার দেশগুলোর মুদ্রার সমন্বয়ে গঠিত একটি গোপন সীমার মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলারের বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণ করে মূল্যস্ফীতি সামলায় এমএএস।

শক্তিশালী সিঙ্গাপুর ডলার আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব কমাতে সহায়তা করে।

এমএএস বলেছে, ‘আগামী কয়েক প্রান্তিকে সিঙ্গাপুরের আমদানি ব্যয় বাড়তে পারে।’

সংস্থাটি জানিয়েছে, মূল মূল্যস্ফীতি জুলাই থেকে বাড়তে পারে এবং আগামী বছরের শুরুর দিক পর্যন্ত উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে।

এমএএস সতর্ক করে বলেছে, ‘জ্বালানির দাম আবার দ্রুত বেড়ে গেলে মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি বাড়তে পারে।’ কারণ, জ্বালানি মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সরবরাহ ব্যাহত হলে তেলের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিতে পারে।

এর আগে সর্বশেষ গত এপ্রিল মাসে মুদ্রানীতি কঠোর করেছিল সিঙ্গাপুরের মুদ্রা কর্তৃপক্ষ (এমএএস)। ২০২২ সালের পর এটিই ছিল এ ধরনের প্রথম পদক্ষেপ।

সূত্র: বাসস