যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্য রফতানি হয় : বাণিজ্যমন্ত্রী

কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যের রফতানি আরো সম্প্রসারিত হবে এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশের অবস্থান আরো সুদৃঢ় হবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির |ইন্টারনেট

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বাংলাদেশে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহসহ বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে রফতানি করা হচ্ছে। বৈদেশিক বাজারে এসব পণ্যের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা দেশের রফতানি খাতকে আরো শক্তিশালী করছে।

আজ সোমবার সংসদে চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সরকারি দলের সদস্য জসীম উদ্দীন আহমেদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশের কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের বিকাশের ফলে বাংলাদেশে উৎপাদিত নানা ধরণের খাদ্যপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে স্থান করে নিয়েছে। বর্তমানে এসব পণ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, কানাডা, ভারত, নেদারল্যান্ডস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে নিয়মিত রফতানি করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, রফতানিযোগ্য খাদ্যপণ্যের তালিকায় রয়েছে চা, বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, ফলমূল, পান পাতা, তৈলবীজ, চিনি, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, ভোজ্য তেল, বিভিন্ন ধরনের কোমল পানীয় এবং সাদা ও হিমায়িত মাছ।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কারণে বাংলাদেশের খাদ্য পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বিদেশী বাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে রফতানি বাজার বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার অনুসন্ধানের উদ্যোগও অব্যাহত রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, খাদ্য ও কৃষিভিত্তিক পণ্যের রফতানি বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সরকার রফতানিকারকদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান, পণ্যের মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যের রফতানি আরো সম্প্রসারিত হবে এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশের অবস্থান আরো সুদৃঢ় হবে।

সূত্র : বাসস