জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি সেলিম উদ্দিনের

সেলিম উদ্দিন বলেন, জুলাই বিপ্লব ও জুলাই সনদ আমাদের জাতীয় জীবনের অন্যতম অর্জন। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের এ বিজয় অর্জিত হয়েছে। এজন্য প্রায় দু’সহস্র তরতাজা প্রাণ ঝরে গেছে। হাজার হাজার ছাত্র-জনতা আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। ছাত্র-জনতার এই ঐতিহাসিক বিজয়কে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য জুলাই সনদ প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মেন্ডেট নেয়া হয়েছে। এতে জনগণ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণরায় প্রদান করেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

তিনি অভিযোগ করেন, সরকার গণরায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে দেশকে নৈরাজ্য ও অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর কাফরুলের একটি স্থানীয় মিলনায়তনে কাফরুল থানা উত্তর আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কাফরুল থানা আমির রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দীন মানিক।

এ সময় ঢাকা মহানগরী উত্তর কর্মপরিষদ সদস্য শহীদুল্লাহ্, থানা কর্মপরিষদের সদস্য এবং জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সেলিম উদ্দিন বলেন, জুলাই বিপ্লব ও জুলাই সনদ আমাদের জাতীয় জীবনের অন্যতম অর্জন। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের এ বিজয় অর্জিত হয়েছে। এজন্য প্রায় দু’সহস্র তরতাজা প্রাণ ঝরে গেছে। হাজার হাজার ছাত্র-জনতা আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। ছাত্র-জনতার এই ঐতিহাসিক বিজয়কে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য জুলাই সনদ প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মেন্ডেট নেয়া হয়েছে। এতে জনগণ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণরায় প্রদান করেছে। কিন্তু সরকার ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই শহীদদের রক্তের সাথে বেইমানি করে তা বাস্তবায়ন করতে নানা টালবাহানা শুরু করেছে। তিনি সরকারকে হঠকারিতা পরিহার করে অবিলম্বে জুলাই সনদ পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানান। অন্যথায় জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

তিনি বলেন, জামায়াত এমন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা চায় যে সমাজ হবে ন্যায় ও ইনসাফপূর্ণ। সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হবে।

তিনি জামায়াতের গণমুখী ও জনহিতকর কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে আরো বলেন, আমরা জাতিকে সুশিক্ষিত হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমরা স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলেছি। আমরা বিত্তহীন মানুষের জন্য বিনামূল্যে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করে থাকি। আমাদের সার্বক্ষণিক অ্যাম্ব্যুলেন্স সার্ভিসও রয়েছে। নগরবাসীর জন্য আমাদের এ কল্যাণকামীতা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

তিনি ডিএনসিসিকে সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন নগরীতে পরিণত করতে সকলের সার্বিক সহায়তা কামনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি