বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় জামায়াত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: সেলিম উদ্দিন

মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘জামায়াত একটি কল্যাণকামী ও গণমুখী রাজনৈতিক সংগঠন। আমরা এমন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর, যেখানে মানুষে মানুষে কোনো বৈষম্য থাকবে না। আমরা দেশকে ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করতে চাই, যেখানে কেউ কর্মহীন বা পিছিয়ে থাকবে না।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন

দারিদ্র্য বিমোচন ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবসময় ইতিবাচক ও সেবার মনোভাব নিয়ে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) জামায়াত মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) শাহ আলী থানা জামায়াতের উদ্যোগে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাহ আলী থানা জামায়াতের আমির জি এম হাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান। এ সময় স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘জামায়াত একটি কল্যাণকামী ও গণমুখী রাজনৈতিক সংগঠন। আমরা এমন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর, যেখানে মানুষে মানুষে কোনো বৈষম্য থাকবে না। আমরা দেশকে ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করতে চাই, যেখানে কেউ কর্মহীন বা পিছিয়ে থাকবে না।’

তিনি বলেন, ‘সমাজের সুবিধাবঞ্চিত নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলার ওপর আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। এটি কোনো সাময়িক কর্মসূচি নয়; বরং আমাদের স্থায়ী কর্মনীতির অংশ। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা বোনদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দিচ্ছি। এতে তারা সামান্যও উপকৃত হলে আমাদের শ্রম সার্থক হয়েছে বলে মনে করব।’

সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে সরকার, রাজনৈতিক দল ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জামায়াত জাতিকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ও ধর্মীয় শিক্ষার সমন্বয় করা হয়েছে। বিত্তহীন মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা এবং সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স সেবার ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নগরবাসীর পানীয় জলের চাহিদা পূরণে বিভিন্ন স্থানে বিশুদ্ধ পানির পাম্প স্থাপন করে তা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। নগরবাসীর জন্য এ কল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। ডিএনসিসিকে সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন নগরীতে পরিণত করতে তিনি সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।