প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন চিন্তায় নতুন রাষ্ট্রীয় শাসনে জেগে উঠেছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আজ দেশে গণতন্ত্রের দরজা খুলেছে, সেজন্যই কেউ আর গুম হয় না।
বুধবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। জাতীয় প্রেসক্লাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম।
রিজভী বলেন, বিএনপি অঙ্গীকার পালনের দল এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষার দল। খালেদা জিয়ায়ের অনন্য দৃষ্টান্ত। বাবা ও মায়ের অর্জিত যে পতাকা সেই পতাকা ধারণ করে তারেক রহমান এখন সেই অঙ্গীকার রক্ষার রাজনীতি করছেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মেট্রো রেল, পদ্মা সেতু দেখিয়ে দেশের টাকা পাচার করেছে এবং নেতাকর্মীদের পকেট ভরিয়েছে। আর তারেক রহমান ক্ষমতায় এসে জনগণের টাকা জনগণকে পৌঁছে দিচ্ছে।
রিজভী বলেন, পাঁচ বছরে টার্গেট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই দেশকে জলবায়ু পরিবর্তন যেটি হচ্ছে সেটি মোকাবেলা করা আমাদের খাদ্যে পুনরায় স্বয়ংসম্পন্ন হওয়া কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা তিনি দুই কোটি কর্মসংস্থানের অঙ্গীকার করেছেন নানাভাবে ওয়ান ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি ঘোষণা দিয়েছেন এই পাঁচ বছরে ওয়ান ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি।
তিনি বলেন, ৭ মার্চ তারেক রহমানকে বন্দি করা উদ্দেশ্য ছিল, যাতে দেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতি যেন আর কোমর সোজা করে দাঁড়াতে না পারে, কোমর শক্ত করে দাঁড়াতে না পারে। এই উদ্দেশ্য নিয়েই এক/এগারোর সরকার এই কাজটি করেছে করেছেন। এখানে এটা শুধু ছোটখাট ষড়যন্ত্র ছিল না, এটা কোনো দেশীয় ষড়যন্ত্র ছিল না, এটা দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ ছিল বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি করা এবং তারেক রহমান সাহেবকে বন্দি করা।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, আল্লাহ যার সহায়, জনগণ যাদের পাশে থাকে তাদেরকে কোনো চক্রান্ত, তাদেরকে কোনো ধরনের নীলনকশা পর্যুদস্ত করতে পারে না। আমাদের আজকের প্রধানমন্ত্রী তাকে সেদিন শুধু মানসিক নয়, শুধু কারাবন্দী নয় তাকে শারীরিকভাবে অত্যাচার করা হয়েছে এই কারণেই তারেক রহমান আজকে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।



