বন্যার্ত ঋণগ্রহীতাদের চলতি মাসের কিস্তি আদায় না করার অনুরোধ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যায় এ অঞ্চলের অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের অনেকেই বিভিন্ন প্রয়োজনে এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের পক্ষে চলতি মাসের কিস্তি পরিশোধ করা অত্যন্ত কঠিন। তাই এ মাসের কিস্তি পরবর্তীতে গ্রহণ এবং বিলম্বের কারণে কোনো ধরনের সুদ বা জরিমানা আরোপ না করার বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়েছে। জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্মকর্তাদের কাছে আমার এই অনুরোধ পৌঁছে দেবেন।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
প্রতীকী ছবি

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রাঙামাটির বন্যাকবলিত এলাকার অতিদরিদ্র ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে চলতি মাসের ঋণের কিস্তি আদায় না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

রোববার রাঙামাটি পার্বত্য জেলার দফতর প্রধানদের সাথে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কিস্তি পরিশোধে বিলম্বের কারণে যেন কোনো এনজিও ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত সুদ বা জরিমানা আদায় না করে- সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে অনুরোধ জানাতে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীকে নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যায় এ অঞ্চলের অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের অনেকেই বিভিন্ন প্রয়োজনে এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের পক্ষে চলতি মাসের কিস্তি পরিশোধ করা অত্যন্ত কঠিন। তাই এ মাসের কিস্তি পরবর্তীতে গ্রহণ এবং বিলম্বের কারণে কোনো ধরনের সুদ বা জরিমানা আরোপ না করার বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়েছে। জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্মকর্তাদের কাছে আমার এই অনুরোধ পৌঁছে দেবেন।’

বৈঠকের আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য যুগ্মসচিব সুমন বড়ুয়া, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, সিভিল সার্জন ডা. নূয়েন খীসা, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী জালাল উদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা।