জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ আরো দুর্বল করে তৈরি করার অভিযোগ করেছে বিরোধী দল।
আজ রোববার এ সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে সংসদের বাইরে এক সংবাদ সম্মেলনে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, যেহেতু সরকার ভুক্তভোগী জনগণ, অংশীজন এবং দেশী-বিদেশী মানবাধিকার সংস্থাসমূহের মতামত উপেক্ষা করে একতরফাভাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ রহিত করেছে; যেহেতু অধ্যাদেশটি বাতিলের সময় সরকার আরো শক্তিশালী ও কার্যকর আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে তার চেয়ে দুর্বল ও সীমিত পরিসরের একটি বিল সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। যেহেতু প্রস্তাবিত বিলটি জাতীয় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানসমূহের বৈশ্বিক জোটের (GANHRI) স্বীকৃত মানদণ্ড, প্যারিস প্রিন্সিপলস এবং প্রাসঙ্গিক আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও ঘোষণাসমূহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; যেহেতু আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক স্থায়ী কমিটিকে মাত্র দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দিয়ে অংশীজনদের সাথে যথাযথ মতবিনিময় এবং স্বাধীনভাবে বিলটি পর্যালোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ কার্যত সীমিত করা হয়েছে। ফলে কমিটিকে একটি ‘রাবার স্ট্যাম্পে’ পরিণত করার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সেহেতু আমরা, কমিটির বিরোধীদলীয় সদস্যগণ এই বিলের কোনো আলোচনা বা পর্যালোচনায় অংশ না নেয়া এবং বিলটি পাসের প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়েই অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং বৈঠক আর না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।



