চকরিয়ায় বিজিবির ত্রাণ বিতরণ : ১৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের পাশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেল ৭০০ জন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজ সকালে বন্যাকবলিত চকরিয়া পৌরসভা, লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন ও কাকারা ইউনিয়নের ১৫০০টি অসহায় পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। একইসাথে বিজিবির মেডিক্যাল টিমের মাধ্যমে প্রায় ৭০০ জন অসহায় ও বন্যাদুর্গত মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক
চকরিয়ায় বিজিবির পক্ষ থেকে বন্যাদুর্গত ১৫০০ পরিবারকে ত্রাণ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
চকরিয়ায় বিজিবির পক্ষ থেকে বন্যাদুর্গত ১৫০০ পরিবারকে ত্রাণ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ |নয়া দিগন্ত

সাম্প্রতিক বৈরী আবহাওয়া ও টানা অতিবৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত ১৫০০টি অসহায় পরিবারের মাঝে বিজিবির পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: ফয়জুল কবির স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজ সকালে বন্যাকবলিত চকরিয়া পৌরসভা, লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন ও কাকারা ইউনিয়নের ১৫০০টি অসহায় পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। একইসাথে বিজিবির মেডিক্যাল টিমের মাধ্যমে প্রায় ৭০০ জন অসহায় ও বন্যাদুর্গত মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার, রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার, নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) ও রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি এর অধিনায়কসহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো বর্তমান সরকারের মানবিক অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মানবিক সঙ্কট ও জাতীয় প্রয়োজনে জনগণের পাশে থেকে নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে।

বক্তারা আরো বলেন, সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবেলা, উদ্ধার কার্যক্রম, চিকিৎসাসেবা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিজিবি সাধারণ মানুষের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।