বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিভাগের সাবেক অধ্যাপক বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা: মো: আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা-শিশু ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা: মো: আব্দুল কুদ্দুস ছিলেন নৈতিকভাবে বলিষ্ঠ মানুষ। নিজ এলাকার মানুষের কাছে ছিলেন একজন জনপ্রিয় চিকিৎসক, প্রিয় মানুষ। আমৃত্যু তিনি ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী। রাজপথে তিনি ছিলেন এক চিরসংগ্রামী নেতা।
আজ এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা: এফ এম সিদ্দিকী, বিএমএ ও ড্যাব-এর সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা: এ কে এম আজিজুল হক।
সভাপতিত্ব করেন ইউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও স্মরণসভা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা: মো: সাইফুল ইসলাম। বিএমইউর গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও স্মরণসভা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ডা: এ বি এম ছফিউল্লাহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় বিএমইউর প্রোভিসি (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা: মো: নজরুল ইসলাম, প্রোভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা: মো: আবুল কালাম আজাদ, প্রোভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা: মো: মুজিবুর রহমান হাওলাদার, ড্যাবের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক ডা: মো: রফিকুল কবীর লাবু, প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসক ডা: আ ন ম মনোয়ারুল কাদির, অধ্যাপক ডা: জাহিদুর রহমান, বিএমইউর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা: মো: মোস্তফা কামাল, ডীন অধ্যাপক ডা: মো: মনির হোসেন খান, চিফ এস্টেট অফিসার ও স্মরণসভা আয়োজক কমিটির সমন্বয়ক ডা: এহেতাশামুল হক তুহিন, সার্জারি অনুষদের কোর্স ডাইরেক্টর ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা: মো: আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ডা: সাইফ উদ্দিন নিসার আহমেদ, সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ডা: মো: আদনান হাসান মাসুদ, সহযোগী অধ্যাপক ডা: মো: শহিদুল ইসলাম খান, সহযোগী অধ্যাপক ডা: মো: আলী নূর, ইউরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, এ্যানেসথেসিয়া বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা: তাজ উদ্দিন আহমেদ, ডা: কামরুজ্জামান, ডা: এমদাদুল হক (ইকবাল), ডা: আবু আহসান ফিরোজ, ডা: এস এম নওরোজ, ডা: ইউনুস আলী, ডা: আবু মো: মোফাখ খারুল ইসলামসহ ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধ অথবা স্বাধীনতা বারবার আসে না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণায় উজ্জীবিত হয়ে মহান মুক্তিযোদ্ধারা দেশটাকে স্বাধীন করেছেন বলে আজ আমরা বড় বড় স্থানে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। তবে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, নব্বই-এর গণঅভ্যুত্থান, ২৪’র জুলাই গণঅভ্যুত্থান এ ধরণের ঐতিহাসিক ঘটনার প্রত্যেকটিই ওই সময়ের প্রেক্ষপটে তাৎপর্যপূর্ণ ও স্বমহিমায় প্রজ্জ্বলিত।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে স্মরণে রাখতে হবে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করতে না পারলে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হারিয়ে যাবে। সেদিন পাকিস্তানী বাহিনীর ভয়ংকর অত্যাচার নির্যাতন ভোলার নয়।
মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা: মো: আব্দুল কুদ্দুস চলতি বছরের গত ২৫ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। পেশাগত জীবনে একজন প্রথিতযশা চক্ষু বিশেষজ্ঞ (অফথালমোলজিস্ট) ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগে অত্যন্ত সুনামের সাথে শিক্ষকতা করেন। শিক্ষাদানের পাশাপাশি তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।



