ডিএনসিসি প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে টেন্ডার পাইয়ে দেয়ার প্রতারণা, আটক ২

‘যদি কেউ আমার নাম ব্যবহার করে টেন্ডার পাইয়ে দেয়া বা অন্য কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ পান, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করুন এবং আইনের হাতে তুলে দিন।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন |সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রতারক চক্র তার নাম ভাঙিয়ে ডিএনসির বিভিন্ন কাজের টেন্ডার পাইয়ে দেয়ার নামে অবৈধ লেনদেন করে আসছিল। তদন্তে এমন অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সাথে তার কোনো আত্মীয়-স্বজন বা ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি জড়িত নয়।

শনিবার (১৩ জুন) ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর আওতাধীন রূপনগর এলাকায় অবৈধ টেন্ডারবাজির সাথে জড়িত দুই ব্যক্তিকে আটক করে রূপনগর থানায় সোপর্দ করার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, ডিএনসিসির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কোনো ধরনের টেন্ডারবাজি, অনিয়ম বা অবৈধ কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেয়া হয়নি। সিটি করপোরেশনের সকল কার্যক্রম স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ‘যদি কেউ আমার নাম ব্যবহার করে টেন্ডার পাইয়ে দেয়া বা অন্য কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ পান, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করুন এবং আইনের হাতে তুলে দিন।’

নগরবাসীর প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রলোভনে পড়ে অবৈধ লেনদেনে জড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

ডিএনসিসি সূত্র জানায়, সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত দরপত্র বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দেয়ার নামে একটি প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আদায় করে আসছিল বলে অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত পরিচালনা করে আজ দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রূপনগর থানায় সোপর্দ করা হয়।

ডিএনসিসি প্রশাসন জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রতারণা ও অবৈধ টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। বাসস