২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশের কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের সেবার ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। তরুণদের সৃজনশীলতা ও ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে উৎসাহ দিতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের লাখ লাখ তরুণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরি করে আয় করছেন এবং তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের উদ্যম ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহ দেয়া এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তির বিকাশে সহায়তা করার লক্ষ্যে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের প্রদত্ত সেবার ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাজেটে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের পাশাপাশি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় পর্যায়ে প্রযোজ্য ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেয়া হবে। এছাড়া স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের সেবা আমদানির ক্ষেত্রে আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং স্থান ও স্থাপনা ভাড়া গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ১৫ শতাংশ ভ্যাটও অব্যাহতির আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা ২০৩৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল রাখার প্রস্তাব করেন।
তিনি বলেন, দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, উদ্ভাবনভিত্তিক উদ্যোগ এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যেই এসব প্রস্তাব আনা হয়েছে। বাসস



