মির্জা ফখরুলকে সভাপতি করে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে কমিটি পুনর্গঠন

গত ২৭ মে ২০২৫ তারিখে জারি করা এক পরিপত্রে ৩১ সদস্যের ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি’ নতুনভাবে গঠন করা হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর |ফাইল ছবি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সভাপতি করে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৭ মে ২০২৫ তারিখে জারি করা এক পরিপত্রে ৩১ সদস্যের ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি’ নতুনভাবে গঠন করা হয়।

পুনর্গঠিত কমিটিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে সহ-সভাপতি করা হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের।

কমিটিতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ, গৃহায়ণ, কৃষি, প্রাণিসম্পদ, তথ্য ও সম্প্রচার, সংস্কৃতি, প্রতিরক্ষা, রেলপথ ও বেসামরিক বিমান পরিবহনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিবরা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

এছাড়াও ওয়াসা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), এনজিও-বিষয়ক ব্যুরো এবং দেশের সব সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদেরও কমিটিতে রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টোমলজি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং নিপসমের এন্টোমলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব বা সচিব কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

পরিপত্র অনুযায়ী কমিটির কমিটির কার্যপরিধি হচ্ছে : ১. সারাদেশে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান এবং গৃহীত কার্যক্রমের পর্যালোচনা, মূল্যায়ন, তদারকি ও সমন্বয় সাধন করা।

২. প্রয়োজনীয় গবেষণা পরিচালনা এবং জাতীয় নীতিমালা ও কৌশলপত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ করা।

৩. প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত কার্যক্রম গ্রহণ।

৪. বছরে অন্তত চারটি সভা আয়োজন করা।

কমিটি প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে। বাসস