জলাবদ্ধতা কেন হচ্ছে সেটা বের করার চেষ্টা করছি : মীর হেলাল

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন এলাকায় কী জন্য এই জলচ্ছাসটা বা এই ফ্লাডিংটা হচ্ছে, জলাবদ্ধতা হচ্ছে সেটা আমরা বের করার চেষ্টা করছি। কিছু কিছু জায়গায় দেখা যাচ্ছে নদীর পার ভেঙে যাচ্ছে। ওখানে ড্যামের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, মেরিন ড্রাইভ করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যেখানে কালভার্ট দরকার, কালভার্টের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

Location :

Bandarban
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন |সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, আমরা চেষ্টা করছি এই তিন পার্বত্য জেলার সামগ্রিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন। একইসাথে সমাজের যারা বসবাসকারী আছে, তাদের জীবনমানটা আরেকটু উন্নত করা।

এছাড়াও তাদের যেন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারি এবং বন্যা পরবর্তী সময়ে উনারা যে ক্ষতির শিকার হয়েছে কিছুটা হলেও সরকারের পক্ষ থেকে বা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদেরকে আবার পুনর্বাসনে বা স্বাভাবিক জীবনে ফেরত যেতে আমরা যেন সেই সাহায্যটা তাদেরকে করতে পারি; এই চেষ্টা আমাদের রয়েছে।

শুক্রবার সকালে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের রেস্ট হাউস প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

পরে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকা এবং রোয়াংছড়ি উপজেলার দুর্গম বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

তিনি আরো বলেন, কোন এলাকায় কী জন্য এই জলচ্ছাসটা বা এই ফ্লাডিংটা হচ্ছে, জলাবদ্ধতা হচ্ছে সেটা আমরা বের করার চেষ্টা করছি। কিছু কিছু জায়গায় দেখা যাচ্ছে নদীর পার ভেঙে যাচ্ছে। ওখানে ড্যামের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, মেরিন ড্রাইভ করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যেখানে কালভার্ট দরকার, কালভার্টের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মারমা, পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, জেলা প্রশাসক মো: সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো: ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজাসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দফতরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র : বাসস