দেশে ফিরলেন ৬০ হাজার ৫৮৮ হাজী

‘১৫২টি ফিরতি ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৭৬টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৫৪টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশী হাজীরা
দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশী হাজীরা |সংগৃহীত

পবিত্র হজ পালন শেষে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ৬০ হাজার ৫৮৮ জন বাংলাদেশী হাজী দেশে ফিরেছেন।

হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ১৫২টি ফিরতি ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৭৬টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৫৪টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

হজ অফিস জানায়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল অ্যাজেন্সির মাধ্যমে ৫৬ হাজার ২৬৯ জন হাজী দেশে ফিরেছেন।

এয়ারলাইনস ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৭৬টি ফ্লাইটে ২৬ হাজার ৮৬৮ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৫৪টি ফ্লাইটে ২১ হাজার ৪৫ জন, ফ্লাইনাসের ২১টি ফ্লাইটে আট হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে চার হাজার তিনজন হাজী দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজীরা নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।

এদিকে চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে ৩৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারীসহ ৫৪ জন বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশী হাজী সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৬ হাজার ২৪৯ জন হাজীকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ১৯৮ জন হাজীকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল। বাসস

Topics