বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল যাচাই-বাছাই শেষে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার সুপারিশ

বৈঠকে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬-এর ওপর বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনায় বিলের ‘জামালপুর’ নামক স্থান উল্লেখের বিধান বিলুপ্ত করে বগুড়া জেলার যেকোনো স্থানে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার বিধান প্রস্তাব করা হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংসদ অধিবেশন
সংসদ অধিবেশন |সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা শেষে সংসদে প্রতিবেদন উপস্থাপনের সুপারিশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি আন্দালিব রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকের শুরুতে প্রথম বৈঠক ও মুলতবি বৈঠকের কার্যবিবরণী অনুমোদন করা হয়।

বৈঠকে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬-এর ওপর বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনায় বিলের ‘জামালপুর’ নামক স্থান উল্লেখের বিধান বিলুপ্ত করে বগুড়া জেলার যেকোনো স্থানে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার বিধান প্রস্তাব করা হয়।

এছাড়া আগে উল্লেখ করা শুধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার পরিবর্তে বিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন, ব্যবসায় প্রশাসন, কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, বিদ্যমান আইনের অধিকাংশ ধারা সংশোধনের প্রয়োজন হওয়ায় আইনটি আংশিক সংশোধনের পরিবর্তে পুনঃপ্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বৈঠকে কমিটির সদস্য এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান, সংসদ সদস্য মুহাম্মদ নওশাদ জমির, সাকিলা ফারজানা, মো: মনজুরুল ইসলাম, মো: হাসান রাজীব প্রধান, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান ও আখতার হোসেন অংশ নেন। বিশেষ আমন্ত্রণে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বাসস