স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লাল হত্যায় অভিযুক্ত মাহিন রিমান্ড শেষে কারাগারে

চার দিনের রিমান্ড শেষে আজ রোববার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় মাহিনকে
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় মাহিনকে |ফাইল ছবি

স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেনকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় রিমান্ড শেষে মো: আল আমিন মাহিনকে (৩৭) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

চার দিনের রিমান্ড শেষে আজ রোববার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।

এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে ১১ জুন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো: জাকির হোসাইন এ মামলায় তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বিল্লাল হোসেন রমনা এলাকার আরাফাত মার্কেটে ব্যবসা করতেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে দিদারুল ইসলাম বাবুসহ কয়েকজনের সাথে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। গত ৮ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দিদারুল ইসলাম বাবু ‘সালিশের কথা’ বলে বিল্লাল হোসেনকে আরাফাত মার্কেটের পেছনে ডেকে নেন। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেয়া আসামিরা তাকে ঘিরে ধরে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে দিদারুল ইসলাম বাবু ও তার সহযোগীরা লোহার রড, ক্রিকেট স্ট্যাম্প ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে।

হামলার একপর্যায়ে বিল্লাল হোসেনের বুকে দিদারুল ইসলাম বাবু ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ৯ জুন বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী আছিয়া খাতুন রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় দিদারুল ইসলাম বাবুসহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সূত্র : বাসস