এটুআইয়ের জুডিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম আইন ও বিচার বিভাগে হস্তান্তরে কমিটি গঠিত

‘বিচারিক সেবা সহজীকরণ, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের অনলাইনে সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে এটুআই প্রোগ্রামের মাধ্যমে একাধিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় |নয়া দিগন্ত গ্রাফিক্স

বিচারিক সেবা আরো সহজ, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে এটুআই প্রোগ্রামের আওতায় উন্নয়ন করা বিভিন্ন জুডিসিয়াল সার্ভিস ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম আইন ও বিচার বিভাগে হস্তান্তরের লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৮ থেকে গত রোববার জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এক পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে এ কমিটি গঠন করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিচারিক সেবা সহজীকরণ, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের অনলাইনে সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে এটুআই প্রোগ্রামের মাধ্যমে একাধিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে।

বর্তমানে ‘ই-কার্যতালিকা’, ‘মামলা ব্যবস্থাপনা’, ‘বিচার বিভাগীয় বাতায়ন’, ‘উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটর’ এবং মোবাইল অ্যাপ ‘আমার আদালত’ সক্রিয়ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

এছাড়া ‘জজ ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (জেআইএমএস)’, ‘জুডি পে’, ‘ই-অনুলিপি’ এবং ‘আইনজীবী বাতায়ন’ নামের আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুত করা হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে বিচারিক কার্যক্রমকে আরো আধুনিক ও গতিশীল করবে।

গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত এটুআই (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির ১০ম সভায় এসব জুডিসিয়াল উদ্যোগ আইন ও বিচার বিভাগে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আইন ও বিচার বিভাগের উপ-সচিব (প্রশাসন-২) মো: মাসুম বিল্লাহ।

সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন সিনিয়র সহকারী সচিব মো: মঈনউদ্দিন কাদির।

কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র সহকারী সচিব (বিচার শাখা-৪) মুহাম্মদ আশেকুর রহমান, এটুআই প্রোগ্রামের দু’জন কর্মকর্তা এবং আইন ও বিচার বিভাগের সহকারী প্রোগ্রামার আরাফাত উর রহমান।

কমিটির প্রধান দায়িত্ব হবে এটুআই প্রোগ্রামের আওতায় উন্নয়ন করা বিচারিক সেবা প্ল্যাটফর্মসমূহের কারিগরি, প্রশাসনিক ও কার্যক্রমগত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সুষ্ঠুভাবে আইন ও বিচার বিভাগে হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে বিচার বিভাগে ডিজিটাল সেবার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং নাগরিকরা আরো দ্রুত, সহজ ও স্বচ্ছ বিচারিক সেবা লাভ করবেন।

একইসাথে দেশের বিচার ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়া আরো বেগবান হবে। বাসস