শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত শেষ করার আশ্বাস চিফ প্রসিকিউটরের

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার এখন মানুষের গণদাবিতে পরিণত হয়েছে। জনগণের এই দাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মামলাটির বিচার দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করা হবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলাম
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলাম |ইউএনবি

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলাম।

আজ বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলার ১১ জন আসামি কারাগারে রয়েছেন। আর ৩০ জন আসামি পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। পরোয়ানা অনুযায়ী আসামিদের নিজ নিজ ঠিকানায় গিয়েও তাদের পাওয়া যায়নি।

এ অবস্থায় পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দু’টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এসব আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান তিনি।

শাপলা চত্বরের মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখা হচ্ছে জানিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিচারকার্যে সব মামলাকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকি। তবে শাপলা চত্বর গণহত্যার মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুততার সাথে শেষ করার চেষ্টা করব।’

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনা নিয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের বক্তব্যের সমালোচনা করেন চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, “ওই সময় ঘটনাটিকে ‘রঙ মেখে অভিনয়’ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল। অথচ ৬১ জন আলেম-ওলামাকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচারকে ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। নানা ধরনের মিথ্যা প্রচারণাও চালানো হয়েছিল। তবে ধর্মপ্রাণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা ছিল, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার হোক।

আমিনুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার এখন মানুষের গণদাবিতে পরিণত হয়েছে। জনগণের এই দাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মামলাটির বিচার দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করা হবে।

সূত্র : ইউএনবি