স্মরণসভায় সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ডা. কুদ্দুস ছিলেন সৎ, সাহসী ও আপসহীন ব্যক্তিত্ব

অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। পেশাগত জীবনে তিনি একজন প্রথিতযশা চক্ষু বিশেষজ্ঞ ছিলেন। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগে দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করেন। পাশাপাশি তিনি প্রতিষ্ঠানটির ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস ছিলেন নৈতিকভাবে বলিষ্ঠ, সৎ, সাহসী ও আপসহীন ব্যক্তিত্ব। নিজ এলাকার মানুষের কাছে তিনি ছিলেন জনপ্রিয় চিকিৎসক ও প্রিয় মানুষ। আমৃত্যু তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। রাজপথে তিনি ছিলেন একজন চিরসংগ্রামী নেতা।

মঙ্গলবার এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এসব কথা বলেন।

স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী এবং বিএমএ ও ড্যাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক। সভাপতিত্ব করেন ইউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও স্মরণসভা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএমইউর গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও স্মরণসভা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ডা. এবিএম ছফিউল্লাহ।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বা স্বাধীনতা বারবার আসে না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণায় উজ্জীবিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছেন। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। তিনি বলেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি ঐতিহাসিক ঘটনা নিজ নিজ সময়ের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ।

স্মরণসভায় বিএমইউর বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা এবং ড্যাবের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। পেশাগত জীবনে তিনি একজন প্রথিতযশা চক্ষু বিশেষজ্ঞ ছিলেন। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগে দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করেন। পাশাপাশি তিনি প্রতিষ্ঠানটির ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।