৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সরকার থাকাকালে ২০০৩ সালে দেশের চারটি বিআইটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঐতিহাসিক ঘোষণা দেয়া হয়। সেই ধারাবাহিকতায় কুয়েটের যাত্রা শুরু হয়।’

খুলনা ব্যুরো

Location :

Khulna
কুয়েটে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
কুয়েটে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন |নয়া দিগন্ত

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘শিক্ষক নিয়োগ বিলম্বিত হচ্ছে। তবে অচিরেই ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এই নিয়োগ দেয়ার মাধ্যমে শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষায় দুই শতাংশ থেকে জিডিপির গ্রোথ পাঁচ শতাংশে নিয়ে যাওয়া হবে। শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেলও ঘোষণা করা হবে।’

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা প্রকৗশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) হিসেবে রূপান্তরের ২৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘সরকার ক্রস-বর্ডার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে। দেশের চাহিদা অনুযায়ী নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পাশাপাশি বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কলেবরও বৃদ্ধি করা হবে। বিএনপি সরকার থাকাকালে ২০০৩ সালে দেশের চারটি বিআইটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঐতিহাসিক ঘোষণা দেয়া হয়। সেই ধারাবাহিকতায় কুয়েটের যাত্রা শুরু হয়।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিপিএ পাওয়া এক লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করে উৎসাহ দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া মেয়েদের উচ্চশিক্ষার জন্য গোলাপী সাইকেল উপহার দেয়ার জন্য কাজ করা হচ্ছে।’

কুয়েটের ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের হুইপ ও সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়টি রাজীতিমুক্ত ক্যাম্পাস। এ ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে বা গুপ্ত অবস্থায় রাজনীতি করা যাবে না।’

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টার ও পাঁচ থেকে ১০টি ইলেক্ট্রনিক্স বাস দেয়ার জন্য শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানান।

এছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শাহজাহান আলী ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক প্রফেসর ড. হাসান আলী।

অডিটোরিয়ামের সামনে প্রীতি সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আনন্দ র‌্যালি, স্টল পরিদর্শন, কুয়েটের অর্জন বিষয়ক উপস্থাপনা, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারের নিচতলায় পোস্টার প্রেজেন্টেশন, একই সময়ে দর্শনার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ল্যাবসমূহ উন্মুক্ত রাখা হয়। বিকেল ৪টার দিকে শিক্ষক বনাম শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।