প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২৯টি ওয়াশব্লক রক্ষণাবেক্ষণে ১৩ লাখ টাকা বরাদ্দ

‘২০২৫-২৬ অর্থবছরে পিইডিপি-৪ এর সাব-কম্পোনেন্ট ‘মেইনটেনেন্স অ্যান্ড রিপেয়ার্স’ কার্যক্রমের আওতায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুকূলে এ অর্থ বরাদ্দ ও ব্যয়ের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর |সংগৃহীত

চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় দেশের ৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২৯টি ওয়াশব্লকের রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ১২ লাখ ৯০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের উপ-পরিচালক (অর্থ) এইচ এম আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে সম্প্রতি এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আদেশ অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পিইডিপি-৪ এর সাব-কম্পোনেন্ট ‘মেইনটেনেন্স অ্যান্ড রিপেয়ার্স’ কার্যক্রমের আওতায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুকূলে এ অর্থ বরাদ্দ ও ব্যয়ের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যে সরকারি তহবিল (জিওবি) এবং আরপিএ (জিওবি) উৎস থেকে মোট ১২ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয় করা হবে। অর্থনৈতিক কোড ৩২৫৮১০৭-এর আওতায় মেরামত ও সংরক্ষণ খাতের অনাবাসিক ভবন উপখাতে এ অর্থ ব্যয় হবে।

আদেশে বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই বরাদ্দকৃত অর্থের অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন বা ব্যয় করা যাবে না এবং অগ্রিম অর্থ উত্তোলনেরও সুযোগ থাকবে না।

সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান অনুসরণ করে ব্যয় সম্পন্ন করতে হবে এবং সকল ব্যয়ের ভাউচার সংরক্ষণ করতে হবে। এছাড়া বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের তথ্য ডিপিইর ওয়েবভিত্তিক কম্পিউটারাইজড অ্যাকাউন্টিং সিস্টেমে সাত দিনের মধ্যে এন্ট্রি দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অন্যথায় ভবিষ্যতে বরাদ্দ প্রদান ব্যাহত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

আদেশে আরো বলা হয়, মোট ব্যয়ের ৪০ শতাংশ জিওবি এবং ৬০ শতাংশ আরপিএ (জিওবি) উৎস থেকে একটি বিলের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে ব্যয় করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়মিত ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। বাসস