আইআইএসসি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী ও অধ্যক্ষের বিদায় সংবর্ধনা

সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে সকলকে দাঁড়াতে হবে : নাজিব মোমেন

পুনর্মিলনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য ও স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ শ্যামসুন নাহার নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, এমপি।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সাবেক অধ্যক্ষ ফখরুদ্দিন মুহাম্মদ কেফায়েতুল্লাহকে বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে
সাবেক অধ্যক্ষ ফখরুদ্দিন মুহাম্মদ কেফায়েতুল্লাহকে বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে |সংগৃহীত

ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ (আইআইএসসি) অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে অ্যালামনাই পুনর্মিলনী এবং প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত সাবেক অধ্যক্ষ ফখরুদ্দিন মুহাম্মদ কেফায়েতুল্লাহর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার রাজধানীর গুলশানস্থ গার্লিক অ্যান্ড জিঞ্জার রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এই পুনর্মিলনীতে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে স্মৃতিচারণ, সৌহার্দ্য বিনিময় এবং ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পুনর্মিলনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য ও স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ শ্যামসুন নাহার নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইআইএসসি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও প্রখ্যাত চিকিৎসক ড. খালিদুজ্জামান।

বিদায় সংবর্ধনায় সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ ফখরুদ্দিন মুহাম্মদ কেফায়েতুল্লাহ তার দীর্ঘ কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের মূল্যবান দিকনির্দেশনা দেন।

IICS-1

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন এমপি বলেন, ‘ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল শুধু চার দেয়ালের দালান নয় বরং এটি মানুষের স্বপ্ন গড়ার কারিগর। এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ বছর ধরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। আজ যখন দেখি এই স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সেক্টরে দেশের সেবা করছেন, তখন এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরো বেড়ে যায়। আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এই স্কুলের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষকদের। তাদের কঠোর শাসন আর স্নেহের চাদরেই আপনাদের শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘জীবনের কর্মব্যস্ততার মাঝেও শিকড়ের টানে, বন্ধুদের টানে এবং এই ক্যাম্পাসের টানে ফিরে আসার এই মানসিকতা প্রমাণ করে যে আপনারা আপনাদের অতীতকে ভুলে যাননি। তাই আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ, নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই স্কুলের উন্নয়নে ভূমিকা রাখুন। সুবিধাবঞ্চিত বা মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ান। আপনাদের একটু সহযোগিতা আগামী প্রজন্মকে আরো অনেক দূর নিয়ে যাবে।’ প্রেস বিজ্ঞপ্তি