গোবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের ১৭ বাসের মধ্যে ৬টি অচল, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত ১৭টি বাসের মধ্যে ১১টি সচল এবং ছয়টি অচল অবস্থায় রয়েছে। এ ছাড়া চারটি মাইক্রোবাসের মধ্যে দু’টি অচল। অন্যান্য যানবাহন সচল রয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবহন দফতর।

Location :

Gopalganj
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো |নয়া দিগন্ত

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বরাদ্দকৃত ১৭টি বাসের মধ্যে ছয়টি দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে আছে। বছরের পর বছর এসব বাস মেরামত না হওয়ায় সেগুলোর অবস্থা আরো অবনতি হচ্ছে। তবে অচল বাসগুলো মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি প্রশাসন। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত নিশ্চিত করতে বর্তমানে ভাড়ায় চালিত চারটি বিআরটিসি বাস ব্যবহার করা হচ্ছে, যার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দফতরের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৩১টি যানবাহনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য বাস রয়েছে ১৭টি। এ ছাড়া শিক্ষকদের জন্য একটি বাস, কর্মকর্তাদের জন্য একটি কোস্টার, চারটি মাইক্রোবাস, ছয়টি জিপ, একটি পিকআপ ও একটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে।

বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত ১৭টি বাসের মধ্যে ১১টি সচল এবং ছয়টি অচল অবস্থায় রয়েছে। এ ছাড়া চারটি মাইক্রোবাসের মধ্যে দু’টি অচল। অন্যান্য যানবাহন সচল রয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবহন দফতর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অচল বাসগুলোর কয়েকটি ২০২০-২১ সাল থেকেই বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও ১১ নম্বর বাসটি টায়ারের অভাবে বর্তমানে চলাচল করছে না।

এ বিষয়ে পরিবহন প্রশাসক হাসেম রেজা বলেন, ‘প্রাপ্ত অর্থ যথেষ্ট নয়। মেরামতের জন্য যে বাজেট আসে, তা দিয়ে মোটামুটি নিয়মিত চলমান বাসগুলোর মেরামতের কাজ করা যায়।’

গ্যারেজ সঙ্কটের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘গ্যারেজ পর্যাপ্ত নেই। আরো কয়েকটি শেড দিতে হবে। নতুন ভিসি স্যার বিষয়টি অবগত আছেন। আশা করছি, খুব দ্রুত গ্যারেজের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মাত্র অ্যাম্বুলেন্স শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের জন্য যথেষ্ট কি না—জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, ‘জরুরি ভিত্তিতে আরেকটি অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন। তবে বাজেটের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ ছাড়াও হেলপার ও ড্রাইভার সঙ্কট রয়েছে।’

অচল বাসগুলো সম্পর্কে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো: সোহেল হাসান বলেন, ‘আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি, আমাকে কিছুদিন সময় দাও। আমরা এই বাস গুলো নিয়ে কাজ করছি। এগুলো মেরামত করে আবার সচল করার জন্য চেষ্টা করছি। যেহেতু আমাদের অর্থ সঙ্কট আছে আমরা নতুন বাস কিনতে পারবো না, তাই এগুলোকে কিছু টাকা খরচ করে আবার ব্যবহার উপযোগী করার চেষ্টা করছি তবে কিছু দিন সময় লাগবে।’