বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো: মামুন অর রশিদ বলেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হলো জ্ঞান সৃষ্টি করা, জ্ঞান চর্চা করা এবং সেই জ্ঞানকে সমাজের কল্যাণে প্রয়োগ করা।’
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ দাশ কনফারেন্স হলে রিসার্চ মেথডোলজি বিষয়ক দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ-কার্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মো: মামুন অর রশিদ শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা যতই গবেষক হতে চাই বা গবেষণায় আমাদের যতই আগ্রহ থাকুক না কেন, গবেষণার সঠিক পদ্ধতি, গবেষণার নৈতিকতা, বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাভাবনা এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণের দক্ষতা আমাদের অর্জন করতে হবে। বর্তমানে এমন একটা সময়ে আমরা প্রবেশ করেছি যেখানে তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ এবং অভূতপূর্ব উন্নতি সাধন হয়েছে। সেখানে গবেষণার ক্ষেত্র এবং পদ্ধতি প্রতিনিয়তই পরিবর্তন হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আজকে সারাদিনের কর্মশালায় যারা অংশ নেবে এবং যে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করবে, তার মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ জীবন গবেষণার দিকে ধাবিত হবে এবং গবেষণার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হবে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আমি একটি কথা বলতে চাই, গবেষণার মান উন্নয়ন, গবেষণায় দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং গবেষণার একটি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। একইসাথে আমরা গবেষণার এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করব, যেখানে আমাদের উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা এবং উৎকর্ষতা গুরুত্ব পাবে।’
কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য ও প্রশিক্ষণ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক বিভাগের প্রফেসর ড. এস এম মোস্তফা আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো: মুহসিন উদ্দিন এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোনমিক্স অ্যান্ড সোশিওলজি বিভাগের প্রফেসর ড. বদিউজ্জামান।
তারা গবেষণা পদ্ধতি, গবেষণা প্রস্তাবনা প্রণয়ন, তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ, গবেষণাপত্র লেখার কৌশল এবং প্রকাশনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মোহসিনা হোসাইনের সভাপতিত্ব কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫টি বিভাগের ১০০ জন থিসিস শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নেন। এছাড়াও কর্মশালায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।



