ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জাতীয় ছাত্রশক্তির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার প্রথম আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফুয়াদ হাসান।
এছাড়া সদস্য সচিব হিসেবে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইফতেহার উদ্দিন তামিম ও মুখ্য সংগঠক হিসেবে আল হাদিস বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী যায়েদ বিন ওসমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী এক বছরের জন্য এ আংশিক আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। একইসাথে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
নবগঠিত কমিটির মুখ্য সংগঠক যায়েদ বিন ওসমান বলেন, ‘মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশক্তির প্রতিষ্ঠানকালীন মুখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেছি। জুলাই আন্দোলনের একজন কর্মী হিসেবে আমি ন্যায়, সত্য, ইনসাফ ও আদর্শের পথে অবিচল থাকার অঙ্গীকার করেছিলাম। আজ নতুন এই দায়িত্বে থেকেও সেই অঙ্গীকার বহাল থাকবে, ইনশাআল্লাহ। আমরা এমন একটি ছাত্রসমাজ গঠনে কাজ করতে চাই, যারা জ্ঞান, নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সৌহার্দ্য, শৃঙ্খলা ও ইতিবাচক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।’
সদস্য সচিব ইফতেহার উদ্দিন তামিম বলেন, ‘মহান রাব্বুল আলামীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একইসাথে স্মরণ করছি চব্বিশের শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা এই ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তাক্ত রাজপথ থেকে উঠে আসা একটি ছাত্রসংগঠনের কর্মী হিসেবে আমার জন্য এটি শুধু একটি দায়িত্ব নয়; বরং শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করার একটি দায়বদ্ধতা। যেন শহীদদের সেই আকাঙ্ক্ষিত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে পারি।’
আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ এই ভূখণ্ডের জন্য আত্মত্যাগ করা প্রতিটি শহীদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করতে চাই। দলীয় অ্যাজেন্ডার ঊর্ধ্বে উঠে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ। ধর্ম, বর্ণ ও লিঙ্গ নির্বিশেষে একটি নতুন ধারার মধ্যপন্থী ছাত্ররাজনীতি গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। এ পথে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর সহযোগিতা কামনা করছি।’



