সড়ক দুর্ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত নিহত হওয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আলোচনা চলাকালে বহিরাগত ছাত্রদল নেতার উপস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) সড়ক দুর্ঘটনায় ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুর পর তার বিচারের দাবি ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ভিসি কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে বৈঠকে বসেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
এদিকে আলোচনা চলাকালীন হঠাৎ সেখানে প্রবেশ করেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক এনামুল হাসান তাসনিম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো অনুমতি ছাড়া একজন বহিরাগত নেতার এমন উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা মারাত্মক ক্ষিপ্ত হন এবং রুমে হট্টগোল শুরু হয়।
উপস্থিত ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ ও স্পর্শকাতর বিষয়ে ভিসির রুমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আলোচনা চলছিল। সেখানে একজন বহিরাগত রাজনৈতিক নেতা কার অনুমতিতে প্রবেশ করেন? বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বিষয়ে উনার নাক গলানোর কোনো অধিকার নেই।’
ঘটনার বিষয়ে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক এনামুল হাসান তাসনিম বলেন, ‘আমি মূলত শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সহমর্মিতা ও একাত্মতা প্রকাশ করতেই এসেছিলাম। সকালে জানতে পারি শিক্ষার্থীরা ভিসি স্যারের সাথে বসবেন। আমাদের লোকাল অভিভাবক, এমপি মজিবুর রহমান সরওয়ার আমাকে বলেছিলেন ভিসি স্যারের সাথে কথা বলে শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়ার বিষয়টি উনাকে জানাতে। সে কারণেই আমি এসেছিলাম।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সেখানে কেন এসেছিলেন, সে সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো: মামুন অর রশীদ ঘটনা সম্পর্কে বলেন, ‘তারা এখানে কেন এসেছেন সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। তাদের আসার বিষয়ে আমাকে আগে থেকে কিছুই জানানো বা অবগত করা হয়নি।’



