মুনীর চৌধুরীর বুদ্ধিবৃত্তিক উত্তরাধিকার নিয়ে ডাকসুর স্মারকগ্রন্থ

শহিদ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব নন; তিনি মুক্তচিন্তা ও প্রগতির আলোকবর্তিকা হিসেবে দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক পথকে আলোকিত করেছেন। তার চেতনাকে ধারণ করে ডাকসুর উদ্যোগে প্রকাশিত এ স্মারকগ্রন্থ নতুন প্রজন্মকে সত্য ও ন্যায়বোধে উজ্জীবিত করবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০২৫ উপলক্ষে প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ‘অধ্যাপক মুনীর চৌধুরীর বুদ্ধিবৃত্তিক উত্তরাধিকার’-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বিকেলে ডাকসুর সভাকক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের সম্পাদনায় স্মারকগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে।

স্মারকগ্রন্থটির সহসম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন সাবিকুন্নাহার তামান্না, আফসানা আক্তার, রিয়াদুল ইসলাম যুবা, রিজওয়ান য্যুবরান মানসূরী, সায়মুম ফেরদৌস, আসফাকউল্লাহ আসিফ ও সুহাইল মাহদীন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক ও ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।

তিনি বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আমাদের মেধা, প্রজ্ঞা ও দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর গভীর বেদনার দিন। একই সঙ্গে এটি তাদের আদর্শ ধারণ ও আত্মত্যাগের চেতনাকে ধারণ করার শপথের দিন।

তিনি বলেন, শহীদ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব নন; তিনি মুক্তচিন্তা ও প্রগতির আলোকবর্তিকা হিসেবে দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক পথকে আলোকিত করেছেন। তার চেতনাকে ধারণ করে ডাকসুর উদ্যোগে প্রকাশিত এ স্মারকগ্রন্থ নতুন প্রজন্মকে সত্য ও ন্যায়বোধে উজ্জীবিত করবে।

মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ডাকসু অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণার মুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি আরো বলেন, বাজেটের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিভিন্নভাবে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করে ডাকসু প্রকাশনা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে চারটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে এবং আরো প্রায় ২০টি বই প্রকাশের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এগুলো পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হবে।

তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগের চেতনাকে ধারণ করে একটি ইনসাফভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

রিয়াদুল ইসলাম যুবার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন (খান জসিম), কার্যনির্বাহী সদস্য শাহীনুর রহমান, শহিদুল্লাহ হল সংসদের জিএস তৌকির হাসান এবং জসীমউদ্দীন হল সংসদের এজিএস হিজবুল্লাহ হিজুলসহ ডাকসু ও হল সংসদের বিভিন্ন প্রতিনিধি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।