রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য বছরে ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব

বৈঠকে সৌদি আরবে দক্ষ বাংলাদেশী জনশক্তি রফতানির সুযোগ সম্প্রসারণ, সৌদি শ্রমবাজারে প্রবেশাধিকার সহজ করা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান পদ্ধতিগত জটিলতা দূর করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মাহদী আমিনের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ
মাহদী আমিনের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ |সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর ৫০০টি শিক্ষাবৃত্তি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং তার কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ এ ঘোষণা দেন।

বৈঠকে সৌদি রাষ্ট্রদূত রাজনীতি ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়ে তার দেশের গভীর আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন।

এ সময় বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে সৌদি আরবের সম্ভাব্য সহায়তার বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত বলেন, সৌদি সরকার বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর ৫০০টি শিক্ষাবৃত্তির বরাদ্দ নিশ্চিত করেছে এবং তিনি ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এ উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন।

বৈঠকে সৌদি আরবে দক্ষ বাংলাদেশী জনশক্তি রফতানির সুযোগ সম্প্রসারণ, সৌদি শ্রমবাজারে প্রবেশাধিকার সহজ করা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান পদ্ধতিগত জটিলতা দূর করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

এছাড়া, দুই পক্ষ হজ ও ওমরাহ, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো অন্বেষণের বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে সৌদি আরবে বসবাসরত ৩৮ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশী সৌদি আরবের অর্থনীতি ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। একইসাথে তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উভয় পক্ষই দুই দেশের মধ্যে অংশীদারিত্ব এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সহযোগিতা আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় সৌদি প্রতিনিধিদলে আরো উপস্থিত ছিলেন ভাইস অ্যাম্বাসেডর খালিদ সাঈদ এম আল হাদাল এবং ডেপুটি হেড অব দ্য কনসুলার সেকশন মুহাম্মদ ফাহাদ ধি. আল সুহাইমি। বাসস