দুবাই-মালয়েশিয়া-গুয়াংজু থেকে ২২৩ কার্টন সিগারেটসহ পণ্য উদ্ধার

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর জানিয়েছে, এসব ঘটনার সাথে কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের সম্পৃক্ততা এবং যাত্রীদের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
দুবাই-মালয়েশিয়া-গুয়াংজু থেকে ২২৩ কার্টন সিগারেটসহ উদ্ধার অন্য পণ্য সামগ্রী
দুবাই-মালয়েশিয়া-গুয়াংজু থেকে ২২৩ কার্টন সিগারেটসহ উদ্ধার অন্য পণ্য সামগ্রী |সংগৃহীত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের বিশেষ নজরদারিতে ২২৩ কার্টন বিদেশী সিগারেট, ৪৪ পিস ভেপ ও ১৪৪ পিস মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়েছে। এসব পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।

রেবাবার (১৩ সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্টের বি-শিফট বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আগত সন্দেহভাজন যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি চালায়।

দুবাই থেকে আসা এমিরেটস এয়ারলাইনসের EK584 ফ্লাইটের যাত্রী আবদুল করিম গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় তার ব্যাগেজ সন্দেহজনক হওয়ায় তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার ব্যাগেজ থেকে ২২৩ কার্টন বিদেশী সিগারেট উদ্ধার করা হয়।

একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে আসা এয়ারএশিয়ার AK71 ফ্লাইটের যাত্রী Shepon-এর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৪৪ পিস ভেপ আটক করেন কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে, গুয়াংজু থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের BS326 ফ্লাইটের যাত্রী KM Tofail Ahmed-এর কাছ থেকে ৯৮ পিস মোবাইল ডিসপ্লে এবং একই ফ্লাইটের যাত্রী Shamima Akter-এর কাছ থেকে আরো ৪৬ পিস মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। দুই যাত্রীর কাছ থেকে মোট ১৪৪ পিস মোবাইল ডিসপ্লে আটক করা হয়েছে।

একদিনে তিন আন্তর্জাতিক রুটে কাস্টমস গোয়েন্দার নজরদারি

সব মিলিয়ে দুবাই, মালয়েশিয়া ও গুয়াংজু থেকে আসা তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ থেকে ২২৩ কার্টন সিগারেট, ৪৪ পিস ভেপ ও ১৪৪ পিস মোবাইল ডিসপ্লে আটক করা হয়। এসব পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।

একই দিনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে এসব পণ্য বহনের ঘটনাগুলো গুরুত্বের সাথে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। এসব ঘটনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কি না, যাত্রীদের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না এবং এর নেপথ্যে কারা জড়িত—সেসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর জানিয়েছে, এসব ঘটনার সাথে কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের সম্পৃক্ততা এবং যাত্রীদের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।