স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শিগগিরই ইয়াবা কারবারে জড়িত শীর্ষ মাদক কারবারিদের নিরপেক্ষভাবে তালিকা করবে সরকার।
একইসাথে টেকনাফে অপহরণ বন্ধে দু’টি সেনা ক্যাম্প স্থাপনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) রাত ১১টার দিকে কক্সবাজারের হিলডাউন সার্কিট হাউজে 'মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন’ সংক্রান্ত সভা শেষে তিনি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘মাদক চোরাকারবারি, মাদক ব্যবসায়ী, যারা মূল হোতা, তাদের একটি প্রকৃত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। একইসাথে যারা মাদকের ক্যারিয়ার, তাদেরও একটা তালিকা করা হবে। এই তালিকা প্রস্তুত করবে কক্সবাজার এবং সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স কমিটি।’
তিনি আরো বলেন, ‘মাদক নির্মূলের জন্য মাদক পাচারের রুটে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন ও সাগরপথে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের টহল জোরদার করা হবে।’
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা পুরোপুরি স্থাপন করা হবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ক্যাম্পের ভেতর যারা মাদকের সাথে জড়িত তাদেরও চিহ্নিত করা হবে।’
কক্সবাজারকে মাদক চোরাচালানের অন্যতম প্রধান রুট উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইয়াবা পাচার ও মাদকের বিস্তার রোধে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।’
তিনি জানান, ‘নিরপেক্ষভাবে শীর্ষ মাদক কারবারিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। একইসাথে সড়কে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্প, নদী ও সমুদ্রপথে নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের নজরদারি জোরদার করা হবে।’
মন্ত্রী জানান, সংসদে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের নতুন আইন পাস হওয়ার পর বাংলাদেশের প্রথম সভাটি বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরো বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা নাফ নদীতে মাছ আহরণ শুরুর লক্ষ্যে জেলে ও নৌকাগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।’
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো পুনরায় চালুর নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।
উখিয়া-টেকনাফের জেলে ও নৌযানের রেজিস্ট্রেশন করা হবে। সমুদ্রপথে নৌযানগুলোকে ১১টি টাওয়ারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
উখিয়া-টেকনাফে অপহরণের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।



