টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে চারটি খাল খননের কাজ শেষ করে বরাদ্দের অব্যবহৃত ৪২ লাখ ৭৭ হাজার ৩৩৭ টাকা সাশ্রয় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মাহবুব হাসান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা প্রশাসন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির আওতা উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের পাঁচতেরিল্ল্যা, গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খুপিবাড়ী ও অলোয়া ইউনিয়নের ভারই এলাকায় তিন হাজার ১৯৫ মিটার খাল পুনঃখননের জন্য ৯০ লাখ ১৬ হাজার ২৬৭ টাকা বরাদ্দ আসে। এর মধ্যে প্রায় দুই হাজার ৮০০ মিটার খাল খনন সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে খরচ হয়েছে ৪৭ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩০ টাকা। বাকি ৪২ লাখ ৭৭ হাজার ৩৩৭ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেয় উপজেলা প্রশাসন।
স্থানীয়রা জানায়, খাল পুনঃখনন কর্মসূচি প্রকল্প বাস্তবায়নের পর উদ্বৃত্ত নগদ টাকা কোষাগারে ফেরত দেয়ার ঘটনা বিরল। খাল খননের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থা উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং বর্ষার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। একই সাথে স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মাহবুব হাসান বলেন, ‘টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু মহোদয়ের সার্বিক সহযোগিতায় খাল পুনঃখনন কর্মসূচি কাজের সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং সরকারি বরাদ্দের নির্ধারিত বাজেট থেকে সাশ্রয়ী হওয়ায় অবশিষ্ট অর্থ রাষ্ট্রীয় তহবিলেই ফেরত দেয়া হয়েছে।’
টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন, ‘ভূঞাপুরে বিভিন্ন এলাকায় চারটি খাল পুনঃখনন কর্মসূচি কাজে শতভাগ স্বচ্ছতা ও সঠিক তদারকির মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং নির্ধারিত বরাদ্দের অর্থ থেকে সাশ্রয়ী হওয়ায় অবশিষ্ট টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়েছে।’



