সিলেটে হাম উপসর্গে আরো ১ শিশুর মৃত্যু

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ২৬৬ জন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১১০ জন ভর্তি রয়েছে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে।

এমজেএইচ জামিল, সিলেট ব্যুরো

Location :

Sylhet
হাম আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা
হাম আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা |ফাইল ছবি

এক দিন বিরতির পর সিলেট বিভাগে নতুন করে হাম উপসর্গে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে হাম ও হাম উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৬ জনে।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণকারী আট মাস বয়সী শিশু আরিয়ান সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নতুন করে ল্যাব পরীক্ষায় কারো হাম শনাক্ত না হলেও এই সময়ে হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরো ৯২ জন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা: মো: মাহবুবুল আলম।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম ও হাম উপসর্গে ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজন ২২ বছর বয়সী নার্স রয়েছেন এবং বাকি ৯৫ জন শিশু। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে চারজনের হাম নিশ্চিত হলেও বাকিদের মৃত্যু হয়েছে হাম উপসর্গে।

মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৩ জন সুনামগঞ্জ জেলার, এরপর ৩৪ জন সিলেটের, মৌলভীবাজারের ১১ জন ও হবিগঞ্জের আটজন রয়েছে।

এদিকে সিলেট বিভাগে এখন পর্যন্ত ৫১২ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৭২ জন সুনামগঞ্জ জেলার, সিলেটের ১৭২ জন, হবিগঞ্জের ৫১ জন ও মৌলভীবাজারের ১৭ জন রয়েছে।

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ২৬৬ জন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১১০ জন ভর্তি রয়েছে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে। এছাড়া ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৮৩ জন, রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল হাসপাতালে ১৩ জন, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে তিনজন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে পাঁচজন, সিলেট লায়ন্স হাসপাতালে চারজন, বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনজন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩০ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে তিনজন ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১০ জন ভর্তি রয়েছে।