গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি
গাজীপুরের টঙ্গীতে পুলিশের গ্রেফতার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন কৃষক লীগের এক নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে থানার সামনে বিক্ষোভ করার সময় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে টঙ্গী পূর্ব থানার ভেতরে গ্রেফতার কৃষক লীগ নেতাকে প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় বিক্ষোভ প্রদর্শন করার অভিযোগে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে ওই মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে শনিবার রাতে টঙ্গীর মরকুন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি আব্দুল মতিনকে (৪৭) গ্রেফতার করে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ।
রোববার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় তার স্বজন ও দলীয় কয়েকজন সমর্থক থানার ভেতর জড়ো হয়ে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করার সময় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করে।
আটক ব্যক্তিরা হলে মরকুন এলাকার আতিকুর রহমানের ছেলে মো: মাহদী হাসান (২৬), মরহুম আব্দুর রউফের ছেলে হারুনর রশীদ (৩৪), মজিবুর রহমানের মেয়ে জহুরা বেগম (৫৫), মো: কাউছার আলীর মেয়ে শারমিন সুলতানা (৩৭) ও মরহুম শহীদ মিয়ার মেয়ে শাহিদা আক্তার (৩৬)।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে টঙ্গী পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আটক পাঁচজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এ মামলায় দুইজনকে পলাতক ও অজ্ঞাত পরিচয় আরো ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মকাণ্ড ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুলিশের মাদক বিরোধী কঠোর অবস্থানের কারণে টঙ্গীর শত শত মাদক কারবারিকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সংগঠিত করার চেষ্টা করছে। টঙ্গীর প্রধান মাদক স্পট মাজার বস্তি, কেরানির টেক বস্তি, ব্যাংকের মাঠ বস্তি, মিলগেট বস্তিসহ ১৯টি বস্তির মাদককারবারিদের সরকার বিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ এ সংগঠনটি। মাদক কারবারিদেরকে দিয়ে বড় ধরনের মিছিলের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানা যায়।
সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে মাদক কারবারিদেরকে প্রাধান্য দিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের স্থানীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।



