ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে ডাকাতি করার সময় দেশীয় অস্ত্রসহ ছয় জলদস্যুকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন জেলেরা। এ সময় জলদস্যুদের দু’টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা থেকে দু’টি চাপাতি, তিনটি দা, একটি ছোড়া, দু’টি লোহার পাইপ, একটি খালি মদের বোতল ও চারটি মোবাইলফোন উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে আটক জলদস্যুদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতে সোর্পদ করে পুলিশ।
এর আগে, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের জংলারখাল এলকা সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে সঙ্ঘবদ্ধ জেলেরা দেশীয় অস্ত্রসহ জলদস্যুদের আটক করে।
আটক জলদস্যুরা হলেন— জাহিদুল ইসলাম (৩৪), আনিস মুন্সী (৩৪), মো: শাহীন (২৭), সায়েম গাজী (২৪), নাঈম হোসেন (২৪) ও রিয়াজ ফকির (৩১)। তাদের প্রথম পাঁচজনের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার চরহাদী গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে। অপরজনের বাড়ি লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার চরগাছিয়া গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে।
জেলেরা জানান, রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের জংলারখাল এলাকার পূর্বপাশে মেঘনা নদীতে মাছ শিকারের সময় দেশীয় অস্ত্রসহ জলদস্যুরা হামলা করে। এ সময় জলদস্যুরা প্রথমে জেলেদের নৌকায় পাথর ছুঁড়ে মারে। পরে মেঘনায় মাছ শিকার করা জেলেদের ১০টি নৌকা একত্রিত হয়ে জলদস্যুদের নৌকা ধাওয়া করে। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ছয় জলদস্যুকে ধরে পুলিশে হস্তান্তর করেন জেলেরা। এ সময় জলদস্যুরা মেঘনায় বড় বড় রাম দা নদীতে ফেলে দিয়েছে বলে দাবি করেন জেলেরা।
এ বিষয়ে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ছয় জলদস্যুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।



