ফেনীতে নজরুল বর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান শুরু

‘ফেনী জেলা প্রশাসনের লক্ষ্য হলো নজরুলের সাম্যবাদী দর্শনকে নতুন প্রজন্মের মননে ছড়িয়ে দেয়া। আমরা চাই আমাদের তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদী লড়াইয়ের যে ম্যান্ডেট আমাদের দিয়েছে নজরুল চর্চার মাধ্যমে তা আরো সুসংহত হোক। তারা যেন অন্যায়ের সামনে এমন আপসহীন হতে শিখে।’

শাহাদাত হোসাইন, ফেনী অফিস

Location :

Feni
নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান |নয়া দিগন্ত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ফেনীতে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির প্রথম দিন রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মনিরা হক।

জেলা কালচারাল কর্মকর্তা সুদীপ্তা চক্রবর্তী ও আবৃত্তি শিল্পী সৈয়দ আশরাফুল হক আরমানের উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো: সাইদুর রহমান,

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আল আমিন সরকার ও ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুলতানা নাসরীন কান্তা।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন ফেনী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক মাহবুবুল আলম।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক দিলদার হোসেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সমবেত সঙ্গীত, সমবেত নৃত্য, আবৃত্তি ও একক সঙ্গীত পরিবেশনা করেন পূবালী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, নীলাম্বরী সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্র, জাগরণী সাংস্কৃতিক অ্যাকাডেমি, শিল্পকুঞ্জ সাংস্কৃতিক সংগঠন, ফেনী সাংস্কৃতিক পরিষদ, সুরবানী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, নজরুল অ্যাকাডেমি, স্বরুপ সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদ, শিশু অ্যাকাডেমি, গীতগুচ্ছ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও অগ্নিবীণা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) মনিরা হক বলেন, ‘আজকের এ নজরুল বর্ষ আনুষ্ঠানিকতা কোনো উৎসব নয়। ফেনী জেলা প্রশাসনের লক্ষ্য হলো নজরুলের সাম্যবাদী দর্শনকে নতুন প্রজন্মের মননে ছড়িয়ে দেয়া। আমরা চাই আমাদের তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদী লড়াইয়ের যে ম্যান্ডেট আমাদের দিয়েছে নজরুল চর্চার মাধ্যমে তা আরো সুসংহত হোক। তারা যেন অন্যায়ের সামনে এমন আপসহীন হতে শিখে।’

তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে রয়েছে আবৃত্তি, নজরুল সঙ্গীত ও নৃত্য প্রতিযোগিতা এবং তৃতীয় দিন রয়েছে সমাপনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।