ফেনীতে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় জুলাই শহীদদের স্মরণ

শাহাদাত হোসাইন, ফেনী অফিস

Location :

Feni
নয়া দিগন্ত

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই পুলিশের গুলিতে নিহত আবু সাঈদসহ জুলাই আন্দোলনের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ফেনীতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জুলাই শহীদ দিবস পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে নানা আয়োজন করা হয়। সকালে শহরের ট্রাংক রোডে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সর্বস্তরের মানুষ।

এদিন সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক মনিরা হক স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, সিভিল সার্জন ডা. এ.এস.এম সোহরাব আল হোসাইন, শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এরপর জেলা পরিষদ, ফেনী পৌরসভা, ফেনী সদর উপজেলা পরিষদ, ফেনী সরকারি কলেজ, গণপূর্ত বিভাগ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর, জেলা সড়ক ও জনপদ অফিস, জেলা আনসার ও ভিডিপি, জেলা মৎস্য অফিস, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস, জেলা তথ্য অফিস, জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর, জেলা নির্বাচন অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা খাদ্য অফিস, জেলা সমাজসেবা অফিস, জেলা সমবায় অফিস, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, যুব উন্নয়ন অধিদফতর এবং ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শ্রদ্ধা জানায়।

আজ বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মনিরা হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, সিভিল সার্জন ডা. এ.এস.এম সোহরাব আল হোসাইন, জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক গাজী হাবিবউল্লাহ মানিক, এনসিপির সদস্য সচিব শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিক, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব নইম উল্লাহ চৌধুরী বরাত, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন, জুলাই যোদ্ধা মুহাইমিন তাজিম, গাজী সালাউদ্দিন আমান, ছাত্র প্রতিনিধি আবু জাফর এবং শহীদ ইশতিয়াক আহমেদ শ্রাবণের বাবা নেছার আহমেদ।

অনুষ্ঠান শেষে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়। দুপুরে জেলার বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। বিকেলে জামায়াতে ইসলামী ও যুবদল পৃথক কর্মসূচি পালন করে।