মহাস্থানগড়ের ৪৭ মূর্তি তদন্তে বাড়লো আরো সময়

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান বলেন, মহাস্থানগড় দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের অংশ। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। বাড়তি সময়ের মধ্যেই তদন্ত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।

শিবগঞ্জ (বগুড়া) সংবাদদাতা

Location :

Shibganj
নয়া দিগন্ত

বগুড়ার মহাস্থানগড় জাদুঘরে সংরক্ষিত ৪৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক মূর্তি আসল নাকি প্রতিরূপ (রেপ্লিকা), তা যাচাইয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির কার্যকাল আরো ১৫ কার্যদিবস বাড়ানো হয়েছে। একইসাথে মূর্তিগুলোর সত্যতা নিরূপণে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি দল এনে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

শনিবার দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত তদন্ত কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সভা সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটির সদস্যরা এ পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রমের অগ্রগতি, সংগ্রহ করা তথ্য-উপাত্ত এবং গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। বিষয়টির গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা বিবেচনায় তদন্তের সময় বাড়ানোর পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ মতামত নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান বলেন, মহাস্থানগড় দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের অংশ। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। বাড়তি সময়ের মধ্যেই তদন্ত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।

এর আগে, গত ১১ মে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় মহাস্থানগড় জাদুঘরের ৪৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, ২০০৭ সালে ফ্রান্সে একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নেয়ার জন্য মহাস্থান জাদুঘর থেকে ৪৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাঠানো হয়েছিল। দেশে ফেরার পর সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই জাদুঘরের সংরক্ষণাগারে রাখা হয়। সম্প্রতি নিদর্শনগুলো নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর তদন্ত শুরু হয়।