১৭ বছর আ’লীগ শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে : হুইপ দুলু

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘আমার মনে হয় স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বেশি অর্থ তারেক রহমানের সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দিয়েছে।’

নলডাঙ্গা (নাটোর) সংবাদদাতা

Location :

Natore
প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু
প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু |নয়া দিগন্ত

জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, ‘গত ১৭টা বছর আওয়ামী লীগ শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মাধনগর ডিগ্রী কলেজের অ্যাকাডেমিক ভবনের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘একটা জাতিকে ধ্বংস করতে হলে সবার আগে প্রয়োজন শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা। আপনারা দেখেছেন, আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা বাংলাদেশের মানুষ যাতে এগিয়ে যেতে না পারে, বাংলাদেশের মানুষ যাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে না পারে, এইজন্য তারা শিক্ষা ব্যবস্থাকে, অর্থাৎ নতুন প্রজন্ম যারা দেশ পরিচালনা করবে, এই নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা যেন অশিক্ষিত থাকে, মূর্খ থাকে, তারা যেন অশিক্ষা ও মূর্খ অবস্থায় দেশ পরিচালনা করে অথবা দেশ যেন ব্যর্থ হয়ে যায়। আর এই ব্যর্থ করার জন্য পূর্ববর্তী সরকার, ফ্যাসিষ্ট সরকার, আওয়ামী লীগ শিক্ষা ব্যবস্থাকে শেষ করে গেছে। বাবা মায়েরা চায় তাদের ছেলে মেয়েরা শিক্ষিত হয়ে পরিবারেরর উপার্জনের দায়িত্ব বহন করুক।’

তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের সরকার আজকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে। আপনারা দেখেছেন এই কিছুদিন আগে বাজেট হলো। এই বাজেটে আমার মনে হয় স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বেশি অর্থ তারেক রহমানের সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দিয়েছে।’

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রশাসক, জেলা পরিষদ ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম আফতাব, যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো: সাখাওয়াত হোসেন, জেলা যুব দলের সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বুলবুল, সাবেক পৌর প্রাশাসক এমএ হাফিজ, মাধনগর ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: রাজু মৃধা, মাধনগর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মালেকসহ কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতারা।