ভান্ডারিয়ায় জাল সনদে শিক্ষিকার চাকরি, দুই মাস ধরে বেতন বন্ধ

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদরাসার অভিযুক্ত জুনিয়র শিক্ষিকা ফারজানার সনদ জাল হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে ।

মামুন হোসেন, ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর)

Location :

Pirojpur
অভিযুক্ত জুনিয়র শিক্ষিকা ফারজানা
অভিযুক্ত জুনিয়র শিক্ষিকা ফারজানা |নয়া দিগন্ত

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদরাসার অভিযুক্ত জুনিয়র শিক্ষিকা ফারজানার সনদ জাল হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে ।

গত ১৪ জুলাই অত্র মাদরাসার শিক্ষকদের দাখিলকৃত শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্র যাচাই শেষে গত ২৮ জুলাই এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ একটি নোটিশ জারি করে এ তথ্য জানায়।

ওই নোটিশে সহকারী পরিচালক ড. এস এম আতিয়ার রহমান ওই জাল সনদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট পক্ষ হতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেন।

জারিকৃত নোটিশে ভান্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদরাসার জুনিয়র শিক্ষিকা ফারজানার বিষয়ে জানানো হয়, ২০২০ সালের ১৭শ’ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ২০১০৩২১৯৮ রোল নম্বরসংবলিত মোছা: ফারজানা, পিতা- মো: ফিরোজ মিয়া, মাতা- মিসেস তাজিনুর বেগমের দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রটিতে নাম, পিতা ও মাতার নাম, ঠিকানা ও প্রাপ্ত নম্বরের সাথে এ প্রতিষ্ঠানের সংরক্ষিত ফলাফলের মিল নেই। সংগত কারণে প্রতীয়মান হয় প্রেরিত প্রত্যয়নপত্রটি সঠিক নয়, বরং জাল/জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্ট।

সূত্র জানায়, শিক্ষিকা ফারজানার সনদ জালের অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা হয়। ফলে ওই শিক্ষিকা অত্র মাদরাসায় ক্লাস নিতে আসা বন্ধ করে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে ওই শিক্ষিকার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে এ বিষয়ে শনিবার রাতে ভান্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহিম জানান, সনদ যাচাইয়ে সঠিক পাওয়া যায়নি; বিধি মোতাবেক মাদরাসার গভর্নিং বডির এক মিটিংয়ে শিক্ষিকা ফারজানার বেতন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং গত ২ মাস ধরে তার বেতন বন্ধ রয়েছে। ওই শিক্ষিকা বর্তমানে মাদরাসায় আসা বন্ধ করে দিয়েছেন।