প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের সাঙ্গু মাতামুহুরী ও বাকখালী নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বান্দরবান শহরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাতটি উপজেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২২০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বান্দরবানের সাথে বগালেক কেওক্রাডং সড়কে পাহাড় ধসে যান চলাচল বন্ধ হয়েছে।
এদিকে, প্রবল বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম পর্যটন কেন্দ্রে আটকে পড়া ৭৮ পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে দুর্গম তিন্দু ও রেমাক্রি এলাকার বড় পাথর ঞাফা খুম প্রমুখ এলাকা থেকে পাঁচটি শক্তিশালী ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে তাদের উদ্ধার করে ফ্রান্সিল সদরে নিয়ে আসা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, বিজিবি, দমকল বাহিনী, পর্যটক গাইড ও স্থানীয়দের সহায়তায় আটকে পড়া এসব পর্যটকদের উদ্ধার করা হয়েছে।
গত তিন দিনের টানা প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদী ও রেমাক্রি খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রচণ্ড স্রোতের কারণে শতাধিক পর্যটক বিভিন্ন এলাকায় আটকা পড়ে। পরে স্থানীয় প্রশাসন এসব আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়। মঙ্গলবার সকালে থানচি সদর থেকে শক্তিশালী ইঞ্জিনচালিত বোট এলাকায় পাঠানো হয়।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত পর্যটকরা এখন নিরাপদে রয়েছে। তাদের বান্দরবান জেলা সদরে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।



