কালুখালীতে ৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

‘এ প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্যোগের ফলে বজ্রপাতসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকে মুক্তি মিলবে। পাশাপাশি খাল খনন সম্পন্ন হলে জলাবদ্ধতা কমবে, পানির ধারণক্ষমতা বাড়বে।’

Location :

Rajbari
বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন
বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন |নয়া দিগন্ত

কালুখালী (রাজবাড়ী) সংবাদদাতা

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মাজবাড়ী ইউনিয়নে পাঁচ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন ও খালের দু’ পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুমোরগাড়া বিল থেকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গড়াই টিকরির বিল ভায়া মুনাই বিল হয়ে বেতবাড়ীয়া অভিমুখী খালের পুনঃখনন করা হবে।

সোমবার (১৫ জুন) প্রধান অতিথি হিসেবে খাল পুনঃখনন প্রকল্প ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কালুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেজবাহ উদ্দিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালুখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: লুৎফর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিমাই চন্দ্র রায়, মাজবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী শরিফুল ইসলাম, মৃগী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দুলাল মৌলবীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার পাইলটিং প্রকল্প হিসেবে আমাদের মাজবাড়ী ইউনিয়নে পাঁচ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজ চলমান রয়েছে। আশা করি, সঠিক সময়ের মধ্যেই এ কাজ সুন্দরভাবে শেষ হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্যোগের ফলে বজ্রপাতসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকে মুক্তি মিলবে। পাশাপাশি খাল খনন সম্পন্ন হলে জলাবদ্ধতা কমবে, পানির ধারণক্ষমতা বাড়বে। কৃষি জমির সেচ সুবিধা পাওয়া যাবে। আমি খাল পুনঃখনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’

অনুষ্ঠান শেষে ইউএনও মেজবাহ উদ্দিন আরো বলেন, ‘প্রায় ২০০০ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে। এই গাছ যাতে ভালো থাকে এলাকার লোকজন দেখে রাখবে। এটা আমার আপনার সম্পদ।’

উল্লেখ্য, উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতায় উপজেলার মাজবাড়ী ইউনিয়নে পাঁচ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন ও বৃক্ষরোপণের কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৭ টাকা। যেখানে ২৯৭ জন শ্রমিক ৪৩ দিনে ৫০০ টাকা হারে দিনমজুর হিসেবে কাজ করবেন।