পিরোজপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টার দিকে আসামি তন্ময় মিস্ত্রীর বাড়ির দক্ষিণ পাশের পাকা রাস্তায় পৌঁছালে আসামি তন্ময় মিস্ত্রী কিশোরীকে দেখে তার সাথে কথা বলার ছলে কাছাকাছি আসে।

পিরোজপুর প্রতিনিধি

Location :

Pirojpur
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, পিরোজপুর
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, পিরোজপুর |নয়া দিগন্ত

পিরোজপুরে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলার একমাত্র আসামি তন্ময় মিস্ত্রিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পিরোজপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনাল আদালতের বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তন্ময় মিস্ত্রি জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার সিংহখালী গ্রামের উত্তম কুমার মিস্ত্রির ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ভান্ডারিয়া উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সে অঙ্ক প্রাইভেট পড়ার জন্য একই গ্রামের সুবোধ মাস্টারকে ঠিক করার জন্য যাচ্ছিল। ঘটনার দিন ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয় ভুক্তভোগী কিশোরী।

সকাল ৯টার দিকে আসামি তন্ময় মিস্ত্রীর বাড়ির দক্ষিণ পাশের পাকা রাস্তায় পৌঁছালে আসামি তন্ময় মিস্ত্রী কিশোরীকে দেখে তার সাথে কথা বলার ছলে কাছাকাছি আসে। পরে তার মুখ চেপে ধরে অমল মিস্ত্রীর বসতঘরের পূর্ব পাশের একটি রান্না ঘরে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। ঘটনার কথা কাউকে কিছু না বলার জন্য আসামি ওই কিশোরীকে ভয়ভীতি দেখান এবং ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

পরে ঘটনা জানাজানি হলে ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত এ রায় দেন।

এতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর ছিলেন অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো: শওকত হোসেন।