ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন মাদারীপুরের রেজাউল করিম মল্লিক

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বড় পদোন্নতি পেলেন মাদারীপুর জেলার শিবচরের কৃতি সন্তান রেজাউল করিম মল্লিক। ডিআইজি পদ থেকে তিনি এখন ‘অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

শিবচর (মাদারীপুর) সংবাদদাতা

Location :

Shibchar
ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন মাদারীপুরের রেজাউল করিম মল্লিক
ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন মাদারীপুরের রেজাউল করিম মল্লিক |নয়া দিগন্ত

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বড় পদোন্নতি পেলেন মাদারীপুর জেলার শিবচরের কৃতি সন্তান রেজাউল করিম মল্লিক। ডিআইজি পদ থেকে তিনি এখন ‘অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর গ্রেড-২ অনুযায়ী এই পদোন্নতি যোগদানের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশের ভিত্তিতে এই পদোন্নতি দেয়া হয়।

পদোন্নতি পাওয়া ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক মাদারীপুর জেলার শিবচরের কৃতি সন্তান। শিবচর থানা সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী মল্লিক পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা হাজী আব্দুর রশিদ মল্লিক বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।

মাদারীপুরের শিবচর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আবুল কালাম মল্লিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার প্রিয় সহোদর রেজাউল করিম মল্লিক, যিনি এর পূর্বে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। আজ তিনি বাংলাদেশ পুলিশের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ পদে উন্নীত হয়ে এডিশনাল আইজিপি হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ! এই অর্জনের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ প্রতীক্ষা, ধৈর্য, সততা ও আত্মনিবেদনের এক অনন্য ইতিহাস।

গত ১৭ বছরে তিনি পদোন্নতির ক্ষেত্রে নানা বৈষম্য ও প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছেন। অনেক সময় তার প্রাপ্য মূল্যায়ন থেকে তিনি বঞ্চিত হয়েছেন। কিন্তু তিনি কখনো হতাশ হননি, ভেঙে পড়েননি কিংবা ন্যায় ও সততার পথ থেকে বিচ্যুত হননি। অদম্য ধৈর্য, পেশাগত নিষ্ঠা, সততা এবং কর্মের প্রতি গভীর ভালোবাসা নিয়ে তিনি তার দায়িত্ব পালন করে গেছেন। প্রতিটি প্রতিকূলতাকে তিনি দৃঢ় মনোবল দিয়ে মোকাবিলা করেছেন এবং বিশ্বাস রেখেছেন যে, আল্লাহ তাআলা অবশ্যই ধৈর্যশীলদের উত্তম প্রতিদান দেন। আজ তার এই পদোন্নতি শুধু একটি প্রশাসনিক অর্জন নয়; এটি সত্য, সততা, অধ্যবসায় ও ধৈর্যের এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি। মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আমার ভাইকে আরো সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সম্মান ও সফলতা দান করেন এবং দেশের সেবায় আরো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার তাওফিক দান করেন। আমিন ইয়া রব।’