ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) সংবাদদাতা
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ কুমিল্লা-মিরপুর সড়কের টাটেরা সেকান্দর আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সামনে সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হতো জলাবদ্ধতা।
এক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই সড়কের ওই অংশ তলিয়ে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়তেন শিক্ষার্থী, পথচারী ও যানবাহনের চালকরা। এ নিয়ে নয়া দিগন্তে সংবাদ প্রকাশের পর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মেরামত কাজ করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই টাটেরা সেকান্দর আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সামনে সড়কে পানি জমে যেত। দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থী ও পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগের পাশাপাশি যানবাহন চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ত। জলাবদ্ধ সড়কে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হতো।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের ওই অংশে পানি জমে থাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। কয়েকবার গাড়ি উল্টে যাত্রী আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান তারা।
সড়কটি মেরামতের পর স্বস্তি প্রকাশ করে কুমিল্লা জজকোর্টের অ্যাডভোকেট আবদুল আলীম খান বলেন, ‘সড়কটি মেরামত হওয়ায় জনমনে আতঙ্ক অনেকটাই কমেছে। তবে আমরা চাই, এটি যেন স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হয়। ভবিষ্যতে যাতে একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন।’
সিএনজি চালক জামাল বলেন, ‘সড়কের ওই স্থান দিয়ে গাড়ি চালানোর সময় সবসময় আতঙ্কে থাকতাম। কখন গাড়ি উল্টে যায় কিংবা ইঞ্জিনে পানি ঢুকে যায়—সেই ভয় ছিল। এখন মেরামত হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।’
উল্লেখ্য, কুমিল্লা-মিরপুর সড়কটি ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের পাশাপাশি সড়কটির স্থায়ী সংস্কার ও কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ স্থায়ীভাবে নিরসন সম্ভব হবে।



