ফেনীর দাগনভূঞায় স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ছয় বখাটেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরো কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নোয়াখালীর চরজব্বর উপজেলার মধ্যবাগ্যা গ্রামের এক নারী (২৫) তার স্বামীর সাথে অটোরিকশাযোগে দাগনভুঞা পৌরশহরের ভাড়া বাসায় আসছিলেন। পথিমধ্যে ফাজিলের ঘাট রোডের জুয়েলের গ্যারেজে অটোরিকশায় চার্জ দিচ্ছিলেন। এমন সময় ৮/১০ জন সন্ত্রাসী স্বামী-স্ত্রীকে ধরে শাহ পরানের চা দোকানে নিয়ে যায়। এসময় সন্ত্রাসীরা স্বামীকে মারধর করে এবং স্ত্রীকে যৌন নিপীড়ন করে গলার চেইন, মোবাইল ফোন, সাউন্ডবক্স নিয়ে যায়।
একপর্যায়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোনের ভিত্তিতে পুলিশ ভুক্তভোগীদেরকে উদ্ধার করে এবং ঘটনায় জড়িত ছয়জনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, দাগনভূঞা পৌরসভার জগতপুর ভূঞা বাড়ির মো: সিরাজের ছেলে মো: রাশেদ প্রকাশ রাজ (১৯), আমান উল্যাহপুর, ৯ নম্বর ওয়ার্ড, দাগনভূঞা পৌরসভার জাবেদ উদ্দিনের ছেলে মো: জাকির হোসেন (২১), একই গ্রামের মো: হারুনের ছেলে আবদুল মান্নান মুন্না (২৯), জগতপুর, ৪ নম্বর ওয়ার্ড, দাগনভূঞা পৌরসভার বেলাল হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৪), একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে মো: শাহেদুল ইসলাম শাহিন (১৯), গোলাম মাওলা মাসুদের ছেলে মো: শাহরিয়ার নোমান (১৯)।
দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধৃত আসামিদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলে প্রেরণ করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের শনাক্তকরণসহ গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।



