ডিগ্রি পরীক্ষা দেয়ার পর কাজের সন্ধানে ফরিদপুর থেকে সাভারে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি গৃহবধূ শিমলা বেগমকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে শিমলা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন রাতে ভাকুর্তা ফাঁড়ির ইনচার্জ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ডিগ্রি পরীক্ষা দেয়ার পর প্রায় ১৭ থেকে ১৮ দিন আগে অনলাইনে কাজের সন্ধানে ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে সাভারে আসেন ওই নারী শিক্ষার্থী। কাজ না পেয়ে তিনি সাভারের মধুমতি মডেল টাউন এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিলেন। এ সময় ২ নম্বর আসামি শিমলা বেগম ও তার স্বামী ইমরানের সাথে তার পরিচয় হয়। ভুক্তভোগীর থাকার কোনো জায়গা না থাকায় তিনি শিমলা ও তার স্বামীর ভাড়া বাসা মধুমতি মডেল টাউনের জনৈক মনিরুজ্জামানের বাসায় যান।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ৩০ আগস্ট রাতে শিমলা বেগমের স্বামী ইমরান বাসায় না থাকার সুযোগে শিমলার সহযোগিতায় বাসচালক ও মামলার ১ নম্বর আসামি নয়ন মন্ডল (৪৮) ওই নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের সময় শিমলা বেগম বাইরে দাঁড়িয়ে কেউ আসছে কি না, তা পাহারা দিচ্ছিলেন বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী সাভার মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় নয়ন মন্ডলকে ধর্ষণের অভিযোগে এবং শিমলা বেগমকে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে আসামি করা হয়েছে।
কাজের সন্ধানে ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে সাভারে আসার পর মধুমতি মডেল টাউন এলাকায় ওই নারী শিক্ষার্থীর সাথে শিমলা বেগম ও তার স্বামীর পরিচয় হয়। পরে তাদের ভাড়া বাসায় যাওয়ার পর ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভাকুর্তা ফাঁড়ির ইনচার্জ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।



