প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, ‘বিগত দিনগুলোতে প্রাথমিক শিক্ষায় অবকাঠামোগত দিকে বেশি মনোযোগ ছিল। আগের সরকার অবকাঠামো উন্নয়নকে শিক্ষার উন্নয়ন হিসেবে বিবেচনা করেছে। এখন আমরা অবকাঠামো নয়, শিক্ষা মেজারমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করছি। শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখছে, সেই বিবেচনায় মূল্যায়ন করবো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কতটুকু সফল।’
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে যশোর পিটিআই অডিটোরিয়ামে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
‘বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেখতে চাই ক্রীড়া আরো ত্বরান্বিত হোক। ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে বেছে নিক। সেই জায়গা থেকে ক্রীড়া বিষয়ক কারিকুলামে ঢোকানোর কাজ শুরু করেছি। আগামী বছর প্রাথমিকের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির কারিকুলামে ক্রীড়া বিষয় যুক্ত হচ্ছে। ২০২৮ শিক্ষাবর্ষে পুরোপুরি ক্রীড়া বিষয় কারিকুলামে যোগ হবে। ক্রীড়া শিক্ষার জন্য মাঠ ও শিক্ষক দরকার হবে। এক্ষেত্রে মাঠের বিষয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করছি। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে তাদের যত রিসোর্স আছে সেটি আমাদের স্কুলের সঙ্গে শেয়ার করবে। সেই জিনিসগুলো আমরা ব্যবহার করতে সক্ষম হবো।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী বছর থেকে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বানরুটি, সিদ্ধ ডিম, কলা, ইউএইচটি দুধ ও ফর্টিফায়েড বিস্কুট ছাড়াও রান্না করা খাবার পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে শুরু করা হবে।’
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (উন্নয়ন) মতিয়ার রহমান, যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (উপবৃত্তি) মাসুদ হোসেন।
স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক ড. শফিকুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান।



