ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক পর্তুগাল প্রবাসীর মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে মালিক সেজে ঢাকায় বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগে উজ্জল মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকার মিরপুর এলাকা থেকে মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে প্রযুক্তির সহায়তায় গাড়িটির সন্ধান পায় পুলিশ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উজ্জলকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতার উজ্জল মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের কাউতলি এলাকার জিল্লু মিয়ার ছেলে।
এর আগে গত ৩০ আগস্ট (রোববার) প্রতারণার অপর একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে পর্তুগাল প্রবাসী নাহিনুল হাসানের মাইক্রোবাস আত্মসাতের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
মাইক্রোবাসটির মালিক নাহিনুল হাসানের স্ত্রী ফাহমিদা হক জানান, ২০২৩ সালে মাসিক ৮২ হাজার টাকা চুক্তিতে মাইক্রোবাসটি উজ্জলের কাছে ভাড়া দেয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী এর মধ্যে ৫২ হাজার টাকা ব্যাংক ঋণের কিস্তি এবং ৩০ হাজার টাকা গাড়ির ভাড়া হিসেবে দেয়ার কথা ছিল। উজ্জল প্রথম ২০টি কিস্তির ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করলেও গাড়ির ভাড়া বাবদ কোনো টাকা দেননি। পরে গত ১১ মাস ধরে তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে তিনি গাড়ি ভাড়া নেয়ার কথাও অস্বীকার করেন এবং গাড়িটি আত্মসাৎ করে মালিক সেজে ঢাকায় বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ করেন ফাহমিদা। এ ঘটনায় গত ২ আগস্ট তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় মামলা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো: শহীদুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে উজ্জল ভাড়া নেয়া মাইক্রোবাসটি ঢাকায় নিয়ে বিক্রি করে দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী প্রযুক্তির সহায়তায় মিরপুর এলাকা থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। বুধবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।



