নিহত সাইফুল্লাহ বারীর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করতে গাইবান্ধায় শিবির সভাপতি সাদ্দাম

বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক নেতা মোখলেছুর রহমান মুকুল ও তার সহযোগীরা সাইফুল্লাহর ওপর হামলা চালায়।

সোহাগ খন্দকার, সাঘাটা (গাইবান্ধা)

Location :

Saghata
হেলিকপ্টার থেকে নামার পর শিবির সভাপতি সাদ্দাম ও জামায়াত নেতা খালেদুজ্জামানকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হচ্ছে
হেলিকপ্টার থেকে নামার পর শিবির সভাপতি সাদ্দাম ও জামায়াত নেতা খালেদুজ্জামানকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হচ্ছে |নয়া দিগন্ত

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন শিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করতে সাঘাটায় পৌঁছেছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। এই সাক্ষাতে তার সাথে রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মেডিক্যাল বিভাগের আমির ডা: এস এম খালেদুজ্জামান।

‎বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে হেলিকপ্টারে করে বোনারপাড়ায় আসেন শিবির সভাপতি সাদ্দাম ও জামায়াত নেতা খালেদুজ্জামান।

‎বিষয়টি নিশ্চিত করে গাইবান্ধা জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আল কারযাভী জানান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দম ও জামায়াতের মেডিক্যাল বিভাগের আমির ডা: এস এম খালিদুজ্জামান বোনারপাড়া ইউনিয়ন শিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করতে এসেছেন। অতিথিগণ বিকেল ৪টার দিকে সাইফুল্লাহ বারীর কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করবেন।

উল্লেখ্য, ‎গত ২১ জুন বিকেলে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া চারমাথা এলাকায় প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে নিহত হন ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী।

নিহত সাইফুল্লাহ বারী উপজেলার শিমুলতাইড় গোরস্থানপাড়া গ্রামের মাওলানা হাবিবুর রহমানের ছেলে এবং বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন।

‎প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল পৌনে ৩টার দিকে বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক নেতা মোখলেছুর রহমান মুকুল ও তার সহযোগীরা সাইফুল্লাহর ওপর হামলা চালিয়ে ছুরিকাঘাত করে।‎

‎এ ঘটনায় নিহতের বাবা হাবিবুর রহমান ২২ জুন সাঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ ১৪-১৫ জনকে অজ্ঞাত পরিচয় আসামি করা হয়।

‎সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, সাইফুল্লাহ বারী হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত প্রধান আসামি মোখলেছুর রহমান মুকুলসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া অন্য আসামিরা হলেন— আশরাফ, রবিউল, শাহ আলম ও একজন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।